ধূলিকণার বিরুদ্ধে লড়াই বন্ধ করুন: বিমানের রঙ ঠিক করার আরও ভালো উপায়
যদি আপনি কখনও ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে বিমানের কাঠামো প্রস্তুত করেও ওভেন থেকে বের করার পর দেখেন যে সেখানে অসংখ্য ধূলিকণা রয়েছে, তাহলে আপনি এই হতাশার অনুভূতি বুঝতে পারবেন। সাধারণ কনভেকশন ওভেনগুলো আসলে বিশাল ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের মতো। এগুলো গরম বাতাস সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়; ফলে কারখানার মেঝে থেকে সমস্ত ধূলিকণা ওভেনে চলে যায়, আর সেগুলো বিমানের রঙে মিশে যায়। এটা সত্যিই ভয়ঙ্কর। আমরা এর সমাধান খুঁজে পেয়েছি—অর্থাৎ, বায়ু ব্যবহার না করে ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করা হয়। এটা কীভাবে কাজ করে? ইনফ্রারেড ল্যাম্পগুলো বাতাস ব্যবহার করে না। এগুলো তড়িৎচুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহার করে বিমানের রঙকে গরম করে। হ্যাঙ্গারে কোনো বাতাস না থাকায় ধূলিকণাগুলো মেঝেতেই থেকে যায়। ফলে আপনি চাইলেই চমৎকার মসৃণ রঙ পান। এটা কীভাবে সেট আপ করা হয়? আমরা শর্ট-ওয়েভ ইনফ্রারেড ল্যাম্প ব্যবহার করি। এগুলো রঙের উপর দ্রুত ও জোরে তাপ প্রয়োগ করে। আপনি যে ধরনের রঙ ব্যবহার করছেন তার উপর নির্ভর করে ল্যাম্পগুলোর সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। এতে রঙের সমস্ত অংশে সমানভাবে তাপ পৌঁছায়। আর একটি ভালো ব্যাপার হলো, ল্যাম্পগুলো বাতাস নয়, ধাতুকেই গরম করে; ফলে আপনার HVAC সিস্টেমকে হ্যাঙ্গারকে ঠান্ডা রাখার জন্য অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হয় না। কিছু বিষয় মনে রাখা দরকার… এটা শুধুমাত্র “প্লাগ অ্যান্ড প্লে” ধরনের ব্যাপার নয়। আপনাকে সাবধান থাকতে হবে। এই ল্যাম্পগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী। যদি আপনি এগুলোকে সাধারণ সার্কিটে সংযুক্ত করার চেষ্টা করেন, তাহলে সমস্যা হবে। আপনার একটি বিশেষ পাওয়ার কন্ট্রোলার দরকার; নইলে ল্যাম্পগুলো দ্রুত নষ্ট হয়ে যাবে। আপনাকে ল্যাম্পগুলোর মধ্যকার দূরত্বও ঠিক রাখতে হবে। যদি ল্যাম্পগুলো অসমানভাবে স্থাপিত হয়, তাহলে রঙে অসমান দাগ দেখা দেবে। ল্যাম্প ও রঙের মধ্যকার দূরত্ব ঠিক রাখলেই রঙটি নষ্ট হবে না।